রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাঙ্গামাটি সাজেক বৈশাখী ( বিযু) উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। কালের খবর সাজেক শুকনাছড়া এলাকা যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫২.৭১ ঘন ফুট সেগুন কাঠ জব্দ। কালের খবর জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য এলাকা থেকে বিএনপির খাগড়াছড়ির শাহেনা আক্তার আলেচনায়। কালের খবর কালের সাক্ষী হয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী এই ভবন! কালের খবর দেশের আভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের খনিজসম্পদ ব্যবহারের দাবি। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় নিয়ম ভেঙে তেল বিক্রির দায়ে বিশ হাজার টাকা জরিমানা। কালের খবর খাগড়াছড়িতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে তামাক চাষ, কমছে সবজির আবাদ। কালের খবর সাজেকে ঘুরতে আসা টুরিস্ট এর হারানো মোবাইল সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করে মালিককে ফেরত প্রদান। কালের খবর রায়পুরায় মাদকাসক্ত ছেলেকে কারাগারে পাঠাতে অসহায় বৃদ্ধা মায়ের আকুতি। কালের খবর চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন। কালের খবর
একজন আদর্শ কৃষক গাজী মিজানুর রহমান – তবু্ও বেগুন চাষকরে পড়েছেন ক্ষতির মূখে। কালের খবর

একজন আদর্শ কৃষক গাজী মিজানুর রহমান – তবু্ও বেগুন চাষকরে পড়েছেন ক্ষতির মূখে। কালের খবর

সাঈদ ইবনে হানিফ, বাঘারপাড়া যশোর, কালের খবর ঃ

মিজানুর রহমান গাজী, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামের মরহুম ওমর আলী গাজীর পুত্র। এলাকার ছোটবড় সব মানুষের কাছে তিনি অতি পরিচিত ব্যাক্তি । একজন সমাজ সেবক হিসেবে ও তার যথেষ্ট সম্মান রয়েছে এলাকা জুড়ে। তিনি একজন ক্রীড়া সংগঠকও বটে। এতকিছুর পরেও তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন কৃষি কাজের মাধ্যমে। তার উপার্জনের প্রধান মাধ্যম চাষাবাদ। এই হিসাবে তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন আদর্শ কৃষক হিসেবে পরিচিত। বছরের সব মৌসুমে তিনি কোন না কোন চাষাবাদের সাথে যুক্ত থাকেন। সম্প্রতি গত ২৬ আগস্ট মিজানুর রহমান গাজীর চাষাবাদের খোঁজ খবর নিতে তার ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে তিনি বেগুন সহ বেশকিছু তরকারি জাতীয় ফসলের চাষাবাদের সাথে যুক্ত আছেন । এসময় তার সাথে কথা বলে জানা যায়, এবছর তিনি অন্যান্যে ফসলের পাশাপাশি বেগুন চাষে হিমশিম খাচ্ছেন। তার বেগুন ক্ষেতের গাছে এখন পুরো ফলনের সময় কিন্তু হঠাৎ করে তার ক্ষেতের গাছগুলোর পাতা মুচড়ে শক্ত হয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থা দেখে তিনি অনেকটাই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন। কারণ ৩৬ শতাংশ জমিতে বেগুন চাষে ইতোমধ্যে তার যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তা হয়তো উঠবে না । ফলে তিনি ক্ষতির মূখে পড়বেন বলে মতব্যাক্ত করেন । মিজানুর রহমান বলেন, বেগুন গাছের সম্প্রতি এই পাতা মোড়ানো রোগের জন্য ইতোমধ্যে তিনি অনেক রকম বালাই নাশক ব্যাবহার করেছেন, কিন্তু তাতে আশানুরুপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না । এবিষয়ে তিনি অভিজ্ঞদের নিকট থেকে পরামর্শ ও গ্রহণ করেছেন। তবে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন যে – দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তাদের উচিৎ এলাকার কৃষক এবং ফসলের মাঠের খোঁজ খবর নিয়ে তাদের কে সুপরামর্শের মাধ্যমে সহযোগিতা করা, যাতে করে কৃষক মহল উপকৃত হতে পারে ।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com